শাহ রুখ খান - দ্যা নেম ইজ এনাফ


#Shah_Rukh_Khan (2 November 1965)

"শাহ রুখ খান"... শুধু এই নামটার পেছনেই বিশ্বজুড়ে প্রায় মিলিয়ন মিলিয়ন ফ্যান ফলোয়িং আছে। দেশ-বিদেশ জুড়ে 'শাহ রুখ খান' নামটাই একটা ব্র্যান্ড। একদম শুন্য থেকে শুরু করে ব্যার্থতাকে ছাপিয়ে কিভাবে একজন সফল ব্যাক্তি হতে হয় তার সবচেয়ে বড় প্রমান এই খান সাহেব, যাকে 'কিং খান' বা 'বাদশাহ' বলে ডাকা হয়।

আমি জানি না দুনিয়ায় আরও বড় বড় অভিনেতা থাকতে কেনো শুধু এই লোকটাকেই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে?? শুধু জানি উনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেই ভালোলাগে, হোক সেটা বিজ্ঞাপন সেটাও আমি মুগ্ধ হয়ে দেখি। তারমানে এই না যে আমি তার বিরাট ফ্যান, তার ফ্যানবেজ সারা বিশ্বে কতটা স্ট্রং সেটা ইউটিউব গাটলেই পাওয়া যায়। হোক আমেরিকা, কিংবা দুবাই কিংবা কানাডা কিংবা রাশিয়া বা চীন যেখানেই উনি গিয়েছেন সেখানেই উনাকে একটু দেখার জন্য মানুষের হট্টগোল লেগে যায়, অটোগ্রাফ, সেলফি কিংবা একটু তার হাতটা ছুঁয়ে দেখার জন্য সবাই পাগল হয়ে যায়। বিশেষ করে মেয়েরা তো পারলে উনাকে ধরে নিয়ে যায় অবস্থা যদি পারতো, এই জন্য নাকি একবার শুনছিলাম শাহরুখ মহিলা বডিগার্ড নিয়োগ দিবে তার মেয়ে ফ্যানদের হাত থেকে নখের খামচি হতে রক্ষা পাবার জন্য 😉
শুধু কি মেয়েরা?? ছেলেরাও কিন্তু কম যায় না, যেভাবে হোক তারে কাছ থেকে দেখা চাই ই চাই। বাইরের দেশের কথা বাদ দিলাম স্বয়ং আমাদের দেশেই বা কম কি?? ২০১০ সালে যখন ঢাকায় আসছিলেন তখন এক পত্রিকায় দেখছিলাম - শাহরুখ যখন ঢাকায় এয়ারপোর্ট থেকে আর্মি স্টেডিয়ামে যাচ্ছিলো তখন রাস্তায় মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলো এক নজর তাকে দেখার জন্য, তিনিও হতাশ করেননি, গাড়ির গ্লাস নামিয়ে হাত নেড়েছিলেন। শাহরুখের এই জিনিসটা একটু মাত্রারিক্ত ভালোলাগে যে, শাহরুখ কখনও তার ফ্যানদের কখনও হতাশ করে না। যেখানেই যান সেখানেই তার ফ্যানদের উদ্দেশ্যে হাতটা হলেও বাড়ান কি্ংবা হাত জোড় করে নিচু হয়ে উল্টো অভিবাদন জানান। যাই হোক, দুঃখের কথা এই যে, লোকটা বাংলাদেশে আসলো আর আমার শত ইচ্ছা সত্বেও জেতে পারি নাই এসএসসি পরীক্ষার কারনে। তবুও উনি এসেছেন এদেশে সেটাই অন্তত আমার কাছে অনেক। আরেকটা কথা, আমার নিজের ফ্রেন্ডলিস্টেই তো আমার চেয়ে ঢের হাজারগুন বড় শাহরুখ ফ্যান আছে। তারা কিন্তু বাংলদেশী আবার তাও সদ্য কলেজ কিংবা স্কুল পড়ুয়া, অথচ তাদের জন্মের আরও বহু আগ থেকেই শাহরুখ মুভি করে আসছে (আমার নিজেরও জন্মের আগে থেকে ;) ) তবুও ঠিকই উনার পাঘলা ফ্যান একেকটা; বুঝেন অবস্থাটা এইবার) - একবার কাকে জানি বলতে শুনছিলাম, শাহরুখের মুভি কখনও টিনেজ পুলাপাইনের দেখতে দিতে নাই কিংবা তার সম্পর্কে জানতে দিতে নাই কারন শাহরুখ খান এসব ছেলেমেয়েদের আবেগ নিয়ে খেলতে জানে... কখন যে কার মাথায় শাহরুখ ঢুকে পরে সেটা বলা মুশকিল আর একবার কোন রকমে ঢুকতে পারলে সেটা থেকে বের হওয়া যায় না।

- অনেকেই ভাবেন যে আমি তার মুভির জন্য ফ্যান!! তবে তা না, তবে হ্যা, তার মুভি শুধু তার সাথে আমার পরিচয় ঘটিয়ে দিয়েছে। তখন প্রাইমারি স্কুলে পড়ি, ফুফুদের বাসায় ভিসিআর ছিলো, তখন দেখতাম সবাই বসে মুভি দেখতো, পরে বুঝতে পারলাম চিনতে পারলাম লোকটার নাম শাহরুখ খান সেভাবে আস্তে আস্তে তার মুভি দেখা সবে শুরু যদিও তখন মুভির এতকিছু বুঝাতাম না, সবার সাথে সাথে আমিও দেখাতাম। পরে আরেকটু বড় হলাম তখন লোকটা সম্পর্কে আরও একটু জানা, এভাবে কিভাবে যেনো তার মোটামুটি কয়টা মুভি দেখে ফেলা। তবে ছোটবেলায় ভাবতাম শাহরুখের বউ বুঝি কাজল, কারন কাজলের সাথেই উনাকে দেখতাম সবসময়।
শাহরুখের অভিনয়ের পাশাপাশি তার সেন্স অফ হিউমার মারাত্মক রকমের, মূলত উনার সেন্স অফ হিউমার সাথে উনার ব্যাক্তিত্ব সবকিছু মিলিয়ে তাঁর প্রতি আরও ভালোলাগা তৈরি। তারউপর ইউটিউবে দেখা শাহরুখের ইন্টারভিউ কিংবা তার স্পিচগুলা তো আরও মারাত্মক লেভেলের। সেই সাথে বিভিন্ন এ্যাওয়ার্ড ফাংশান কিংবা অন্যান্য অনুষ্ঠানগুলোর হোস্ট তথা উপস্থাপনা যেভাবে করেন, মনে হয় না বলিউডের আর কেউ পারবে অন্তত সেন্স অফ হিউমার দিয়ে যেভাবে বক্তব্য কিংবা সাংবাদিক সম্মেলনে বা টুইটারে প্রশ্নের উত্তরগুলা দিয়ে থাকেন সেটা আর কারও দিয়ে সম্ভব না অন্তত বলিউডে।

- এই 'সেলফ মেড' শব্দটার সবচেয়ে বড় প্রমাণ শাহরুখ। দিল্লীর মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে যেভাবে উঠে এসেছেন সেটাই বা কম কিসে!!! এগারো বছর বয়সে শাহরুখের বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, বয়স বিশ হতেই মা মারা যায়। তখনও তিনি অভিনয় জগতে পা রাখেননি, বাবা মা হারিয়ে তারপর দিল্লী থেকে চলে আসেন মুম্বাইয়ে। সেখানে এসে পরেন সংকটে, পকেটে নেই টাকা।

মুম্বাইয়ের জুবিলী সিনেমা হলের সামনে বসে থাকা ছেলেটা একদিন শাহরুখ হবে, তা কে জানতো ?? পার্কের বেঞ্চিতেও ঘুমিয়েছেন। একদিন তো বলেই ফেলেন, এই মুম্বাই শহর আমাকে ভীষন খুব জালাচ্ছে একদিন আমি এই শহর জয় করবো। আসলেন দেখলেন জয় করেই ফেললেন, শুধু মুম্বাই না, এক মফস্বল শহরে থাকা আমার মত এক ছেলেকেও। তরুণ বয়সে মাত্র ৫০ রূপি পারিশ্রমিকে কাজ করেছিলেন পঙ্কজ উদাসের একটি কনসার্টে স্পট বয় হিসেবে... সেটাই ছিল জীবনের প্রথম পারিশ্রমিক। সেই ৫০ রূপি দিয়ে ট্রেনের টিকেট করে গিয়েছিলেন তাজমহল দেখতে। চাচা মামার জোড় ছাড়া যেভাবে নিজের প্রতিভা দিয়ে বলিউডে আসলেন সেটা কি কম কিছু!!! সেই শাহরুখের আজকের ব্যাংক ব্যালেন্স 750+ মিলিয়ন ডলারের উপর।

- ভালোবেসে বিয়ে করলেন ভিন্ন ধর্মের মেয়ে গৌরীকে, গৌরীর পরিবারের আপত্বি থাকা স্বত্তেও ঠিকই মানিয়ে বিয়ে করেই দেখিয়ে দিলেন। তখনও উনি চলচ্চিত্রে কিংবা লাইম লাইটে আসে নি, আর আপত্তি তো থাকবেই এক বেকার ছেলের কাছে কোন পরিবার বিয়ে দিতে চায়।। তবুও বিয়ে করেই ছাড়লেন ভালোবাসার মেয়েকে। আর আজ উনারাই আদর্শ কাপল হিসেবে এখনও বলিউডে ঠিকে আছে। গৌরীকে বিয়ে করে ইন্ডাস্ট্রিতে আসা শাহরুখকে নিয়ে কখনো কোন কেলেঙ্কারী বা স্ক্যান্ডাল শোনা যায় নি। অসাধারণ সুন্দরী সব নায়িকার সাথে রোমান্স করেছেন রঙিন পর্দায়, কিন্ত ব্যাক্তিজীবনে দাগ লাগতে দেননি কখনও। এটাকেই বোধহয় আসল স্টারডম বলে।

- শাহরুখ শুধু অভিনয় দিক দিয়েই নয় ছিলেন শিক্ষিতও, অর্থনীতিতে স্নাতক পাশ। আর এখন তো নামের পাশে ডক্টরেট ডিগ্রীও আছে। সেই সাথে আছে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় হতে সম্মাননা, তাছাড়া অনেক সময় দেশ বিদেশের ভার্সিটির সমাবর্তনে তাকে ডাকা হয় শুধু ছাত্র তথা সকলের উদ্দেশে কিছু বলার জন্য, সেখানে উনি তুলে ধরেন নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা।
শাহরুখের আরেকটা ভালো দিকের মধ্যে ভালোলাগে - নারীদের প্রতি তার রেসপেক্টটা। সবসময় তাদের সম্মানের পক্ষে কথা বলে থাকেন। উনি নিজেও এক মেয়ের বাবা, হয়ত সেটাও একটা ফ্যাক্ট বাবা হিসেবে। এখন একমাত্র তার মুভিতে দেখা যায় মুভির শুরুতে যখন নাম দেখায় তখন আগে অভিনেত্রীর নামটা আগে দেখায় তারপর উনার; সেটা শাহরুখেই করে থাকে। আর দুই ছেলে আর এক মেয়ের বাবা হিসেবেও অনেক চমৎকার বলতে গেলে আদর্শ বাবা বলতে যা বুঝায়। ছোটবেলায় নাকি উনার খেলনা ছিলো না, তাই এখন নাকি ছোট ছেলের জন্য খেলনা কিনে ছোটবেলার আক্ষেপ গুছান যেনো ছেলে কখনও বড় হয়ে বলতে না পারে তার কোন খেলনা ছিলো না খেলার মত।
শুধু অভিনয় কিংবা মিডিয়া জগত নিয়েই থাকেন তা কিন্তু নয়। তাঁর ছেলে ক্রিকেট পছন্দ করে বলেই কিনে নিয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্স, বর্তমানে তার নিজে তিনটা লীগের ক্রিকেট দলের মালিক, নিজেও ক্রিকেট প্রচণ্ড ভালোবাসেন। দল হারলে গ্যালারীতে বসে চোখের কোনায় পানি মুছতেন। তাঁর আবেগটা সত্য পরিষ্কার।

সময় সুযোগ পেলেই বই পরেন, মুভি দেখেন আবার টিভি সিরিজও দেখেন, উনার প্রিয় টিভি সিরিজ 'নারকোস, ব্রেকিং বেড'। সেই সাথে যে কোন খেলা হোক সেটা ক্রিকেট কিংবা হকি, পুরুষ টিম কিংবা মহিলা টিম, তাদেরকে টুইটারে উইশ কিংবা সমর্থন জানাতে ভুলেন না। সারাদিনের ব্যাস্ত সময়ের মধ্যেও নিজের টুইটার নিজে চালান, ফ্যানদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়ে থাকেন সময় পেলেই যেটা #AskSrk ট্যাগ হ্যাশে করা হয়।

- শাহরুখ খানের পুরস্কারের সংখ্যা সঠিকভাবে গুগলও হয়তো বলতে পারবে না। তিনি যা ছুঁয়েছেন, তাই সোনায় রূপান্তরিত হয়েছে। জীবনে অর্জন করেছেন অসংখ্য সম্মাননা, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় দিকেই। ক্যারিয়ারে মোট ৩৭৬ বার বিভিন্ন দিকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন যার মধ্যে ২৭৪ বারই জিতেছেন কোনো না কোনো পুরস্কার। আইফা, রাজীভ গান্ধী, বেস্ট ইন্ডিয়ান সিটিজেন ইত্যাদি সম্মানজনক পুরস্কারে ভূষিত হন এই মহাতারকা। ২০০৫ সালে লাভ করেন সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার ‘পদ্ম শ্রী’। যদিও কখনো ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড জেতেননি, জিতেছেন সর্বোচ্চ ১৪টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এছাড়াও স্টার, জি সিনে, গিল্ড, আইফা, স্টারডাস্ট ইত্যাদি পুরস্কারেও তার প্রাপ্তি রেকর্ড সংখ্যক।
আন্তর্জাতিক পুরস্কারের কথা বলতে গেলে প্রথমেই চলে আসবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা ‘লিজিয়ন অব অনার’ এর কথা। পেয়েছেন মরোক্কোর রাজ মোহাম্মদ VI এর হাত থেকে ‘এল’এতোইলি ডি’অর’ সম্মাননা। বেডফোর্ডশায়ার, জর্জটাউন এবং এডিনবারার মত নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানজনক ডক্টরেটে ভূষিত করে। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাভ করেন ফেলোশিপ। একমাত্র ভারতীয় নায়ক হিসেবে হয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার ‘শুভেচ্ছা দূত’, পেয়েছেন অত্যন্ত সম্মানজনক ‘ব্র্যান্ড লরিয়েট’ পুরস্কার।

- সত্যি কথা বলতে আমি যতটা না শাহরুখের অন স্ক্রিনের ফ্যান তারচেয়ে বেশি আমি শাহরুখের অফস্ক্রিনের কঠিন ফ্যান। মুলত অভিনয় জগতের বাইরের কারনেই আরও বেশি ভালোলাগা শাহরুখকে। উনি কেমন অভিনয় করেন সেটার কিছুই বলবো না, যা অভিনয় করেন তা নিয়ে কিছু বললেও আমার কম হয় যায়। ২৭ বছর উপর ধরে বলিউডে শাহরুখের পদার্পণ। অভিনয় নিয়া সন্দেহ তুললে বলবো আপনি অভিনয়ের 'অ'টাও বুঝেন না। তবে হ্যা ইদানীং উনার মুভি নিয়ে কথা শুনতে হচ্ছে, সেটা আমিও স্বীকার করি গল্পের দুর্বলতা যার কারন। যার কারনে বর্তমানে ভালো চলছে না, এই জন্যে বাস্তবতা মেনে আমার নিজেরও রাগ হয়ে বলতে ইচ্ছে করে, শাহরুখ কি স্ক্রিপ্ট না দেখেই না পরেই মুভিতে সাইন করে??? জানি না কি হলো উনার.... অথচ সেই আগের মুভিগুলার দিকে তাকালে এখনের মুভিগুলা কোনভাবেই তার সাথে যায় না মুভির কাহিনীগুলা। যার কারনে বলিউডে কিছুটা মুখ থুবরে পরছে সেই সুযোগে অনেকেই উনাকে যেভাবে পারছে অশ্লীলভাবে বাজেভাবে কুৎসিত করে কটাক্ষ করে যাচ্ছে যেটা একজন শাহরুখ প্রেমী হিসেবে তা হজম করতে একটু কষ্টই হচ্ছে। সমালোচনা করুক তাতে আপত্তি নাই কিন্তু সেটা যুক্তিসংগত করুক; সেই এত কিছু পেড়িয়ে যে জায়গা থেকে আজ এই জায়গায় উঠে এসেছে সেই লোকটা কি সেটার জন্য হলেও শ্রদ্ধা রাখে না একটুও????
যে লোকটা এত বছর ধরে মুভি করে আসছে এত বছর ধরে এন্টারটেইনমেন্ট দিয়া আসছে যার মুভি দেখেই বড় হয়েছি তার সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মুভি খারাপ যাওয়ায় যেভাবে তীব্র কটাক্ষ করা হচ্ছে তা মানতে অন্তত আমার একটু কষ্টই হবে। শাহরুখ নিজেই বলেছেন, "আমি কখনো কাজের ফলাফল ভেবে কিছু করি নি। যখন সফল হই, সেটাকে মনে রাখি... ব্যর্থতাটাকে ভুলে যাই। মন থেকে যে কাজটা করার জন্যে আমি সাড়া পাই, সেটাই করি। আমার একান্ত নিজের বলে কিছু নেই... আমার জীবন খোলা বই এর মতো। আমার ভেতর বাহির সবই দেখা যায়।"

- প্রতিদিনই হাজারো ভক্তের ভিড় জমে শাহরুখে বাড়ি 'মান্নাত' এর সামনে। তার ৫৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবারের মত এইবারও তার বাড়ির সামনে হাজারো মানুষ দূরদূরান্ত থেকে আসবে, এমনকি দেশের বাইরে থেকেও প্রচুর মানুষ আসে শুধু একটাবার তার জন্মদিনে উইশ করতে বা তাকে এক নজর দেখতে সেটা রাত বারো'টার আগে থেকেই। আমার মনে হয় না আর কোন সুপারস্টারের বাড়ির সামনে এভাবে কেউ এত মানুষ আসে শুধু জন্মদিনের উইশ করতে!!! শাহরুখও তার এই ভক্তদের নিরাশ করে না, যেখানেই থাকুক না কেন অন্তত এই দিন তিনি ছুটে চলে আসেন বাড়িতে। এসে উপর থেকে সবার উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে কিংবা তার সেই চিরচেনা সিগনেচার স্টেপের পোজ দিয়ে ভক্তদের প্রতি তার ভালোবাসাটাও প্রকাশ করেন। বছর খানেক আগে এই দিনে সেলফি তুলে টুইটারে আপলোড দিয়ে ক্যাপশান দিয়েছিলেন - "If I could, I would jump amidst you. So that you could take me home. Thank you all for coming and making my birthday so special. Love you!" এই হাত নেড়ে কিংবা হাত উঁচু করে ভক্তদের প্রতি যা ভালোবাসাটা প্রকাশ করেন সেটা অন্য কাউকে দিয়ে কখনোই রিপ্লেস হবে না। শাহরুখের এই হাত বাড়িয়ে তার ট্রেডমার্ক পোজটায় আর গালের টোলে ভক্তরা পাগল হবে - যুগ যুগ ধরে। #MannatLandsEnd

- Happy Birthday My Superstar "Shah Rukh Khan" - 💓

জন্মদিনের অনেক অনেক শুভচ্ছা ও শুভকামনাসহ ভালোবাসা রইলো আপনার প্রতি অজস্র

[সূত্রঃ উইকিপিডিয়া, ব্লগ]
Previous Post Next Post